মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

পাতবিলা দাখিল মাদ্রাসা।

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার পাতবিলা গ্রামের মাঝের পাড়ার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পূর্ব পাশে পাখি ডাকা সবুজ-শ্যামল শান্ত পরিবেশে মাদরাসাটির অবস্থান।এক সময় এখানেই ঘন জঙ্গল পরিস্কার করে একটি ছোট্র চালাতেই আবজাল হোসেন ও আব্দুল খালেক মৌলভী সন্ধার পর কাজ শেষে গ্রামের ক্লান্ত মানুষদের আরবী পড়াতো। সবাই এটাকে মক্তব বলে চিনতো। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৮৩ সালে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভ করে পাতবিলা মাদরাসা। এরপর ১৯৯৫ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দাখিল স্তরে উন্নিত হয়।

1995

 

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

 

১৯৫২ সালের কথা। নোয়াখালী জেলার আবজাল হোসেন ও কুষ্টিয়ার আব্দুল খালেক মৌলভী জীবন ও জিবিকার প্রয়োজনে পাতবিলা গ্রামে এসে বসবাস শুরু করে। ইসলাম ধর্মে দীক্ষা নেওয়া আবজাল হোসেন ও আব্দুল খালেকের প্রচেষ্টায় পাতবিলা গ্রামের ভোলাই বিশ্বাস, মুজিদ মৃধা, ইসমাইল বিশ্বাস, জবেদ বিশ্বাস, আব্দুর রহিম বঙ্, ফকির বিশ্বাস, নুর মোহাম্মদ মোল্লা ও খোরশেদ মন্ডলসহ গ্রামের অনেক শিক্ষানুরাগীসহ সচেতন মানুষ স্থানীয় মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষার অভাব বোধ করেন। সেই অভাব বোধ থেকেই তৎকালীন সময়ে বৃহত্তর যশোর জেলার (বর্তমানে ঝিনাইদহ) কালীগঞ্জ উপজেলার পাতবিলা গ্রামের মাঝের পাড়ার ঘন বন-জঙ্গল আবৃত কানা পুকুরের পাড় পরিস্কার করে একটি চালা তৈরি করেন। সে চালাতেই আবজাল হোসেন ও আব্দুল খালেক মৌলভী সন্ধার পর কাজ শেষে গ্রামের ক্লান্ত মানুষদের আরবী পড়াতো। সবাই এটাকে মক্তব বলে চিনতো।

পরবর্তীতে আরবীর পাশাপাশি বাংলা, অংক ও ইংরেজী পড়ানো শুরম্ন করেন। প্রয়োজনের তাগিদেই আরো কয়েক বছর পর রাষ্ট্রীয় শিক্ষার সাথে তাল মিলিয়ে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত্ম শিক্ষা কার্যক্রম শুরম্ন করেন। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৮৩ সালে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভ করে পাতবিলা মাদরাসা। তখন থেকে শিক্ষক ওয়াজেদ আলী, আলতাফ হোসেন ও হাবিবুর রহমান অত্যন্ত্ম দক্ষাতার সাথে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যান। আন্ত্মরিকতার সাথে চেষ্টা করতে থাকেন এলাকার ছেলে মেয়েদের মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে। দিনে দিনে প্রতিষ্ঠানটির সুনাম গ্রাম পেরিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোতে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। সে সময় পার্শ্ববর্তী গ্রাম বড় শিমলা, ছোট শিমলা, তিলস্না, বড় ঘিঘাটিসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে শিক্ষার্থী পড়তে আসতে থাকে এই মাদরাসায়।

এভাবেই চলতে থাকে প্রতিষ্ঠানটির ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম। ১৯৯৫ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি দাখিল স্তরে উন্নিত হয়।

সে বছর সপ্তম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করে দাখিল স্তরের শিক্ষাকার্যক্রম শুরু করে। ১৯৯৯ সালে প্রথম এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। সে বছর ৩৬ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার আগে এই মাদরাসার আরো দু'টি দাখিল ব্যাচ শোয়াইবনগর মাদরাসা নামে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে।

বর্তমানে মাদরাসাটি ১৮ জন শিক্ষক কর্মচারী ও ৪’শ ৭ জন নিয়মিত শিক্ষার্থী নিয়ে সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ২০০৫ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী, জেডিসি ও দাখিল পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা শতভাগ সাফল্যর ধারাবাহিকতা অর্জন করে আসছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মোঃ শহীদুজ্জামান ০১৭৮৯৭৪২৪৯৯ patbiladakhilm@yahoo.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মো: ইয়াছিনুজ্জামান ০১৭২৭০২৯৪৯৬ tareq26@gmail.com

১ম- ১৯

২য়- ২৪

৩য়- ১৯

৪র্থ- ৩৬

৫ম- ৩২

৬ষ্ঠ-৪৩

৭ম-৫৩

৮ম-৫০

৯ম-৫০

১০ম- ৪৩ জন

১০০%

সভাপতি-- মোঃ আক্কাছ আলী

সাধারন সম্পাদক-- মো: শহীদুজ্জামান (সুপার)
সদস্য--- মো: ওয়ালিয়ার রহমান

              মো: সাইুল ইসলাম

              মো: আলম গাজি

              মোছা: ফরিদা খাতুন

দাতা সদস্য--- মৃধা

বিদ্যুৎসাহী--- মো নাসির উদ্দীন

১০০%

২০১৬ সালের জেডিসি পরীক্ষা: একজন টেলেন্টপুলে এবং বাকি চারজন সাধারন বৃত্তি লাভ করে।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা শহর থেকে চার কিলোমিটার কোটচাঁদপুর রোড ধরে এগিে গেলেই পাতবিলা বটতলা। সেখান থেকে গ্রামের ভিতর আধা কিলোমিটার পথ হেটে অথবা ইজিবাইকে গেলেই সবুজ শান্ত পরিবেশে অবস্থিত পাতবিলা দাখিল মাদরাসার দেখা মিলবে।